Ajker Bishshow
আজকের বিশ্বAjker Bishshow
ঢাকা
সকল খবরঅর্থনীতিআন্তর্জাতিকআমেরিকার আপডেটইরান আপডেটখেলাধুলাবাংলাদেশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিনোদনমধ্যপ্রাচ্য

আজকের বিশ্ব

Your trusted source for the latest news, breaking stories, and in-depth analysis from Bangladesh and around the world.

Quick Links

  • Home
  • About Us
  • Contact
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions

Categories

    Connect With Us

    Email: contact@ajkerbishshow.press

    Follow us on social media for the latest updates

    © 2026 Ajker Bishshow. All rights reserved.

    Home
    /আন্তর্জাতিক
    /নেতানিয়াহুর রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন: কি বলছেন, কি হতে পারে ফলাফল?
    আন্তর্জাতিক

    নেতানিয়াহুর রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন: কি বলছেন, কি হতে পারে ফলাফল?

    admin
    November 30, 2025

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু চলমান দুর্নীতি মামলায় রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছেন। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেই ক্ষমা প্রার্থনা দেশজুড়ে নতুন আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

    Share:
    নেতানিয়াহুর রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন: কি বলছেন, কি হতে পারে ফলাফল?

    নেতানিয়াহুর রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন: কি বলছেন, কি হতে পারে ফলাফল? - Ajker Bishshow

    ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর, Benjamin Netanyahu — ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী — আনুষ্ঠানিকভাবে Isaac Herzog — রাষ্ট্রপতির কাছে চিকিৎসা-জীবন ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য ক্ষমা (pardon) প্রার্থনা করেছেন। এই আবেদন একটি দীর্ঘ, ব্যস্তশেষ এবং বিতর্কিত দুর্নীতি মামলার অংশ। ২০২০ থেকে বিচারাধীন হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘুষগ্রহণ, প্রতারণা এবং বিশ্বাসভঙ্গ — অভিযোগ যা নেতানিয়াহু সবসময় অস্বীকার করেছেন।

    তবে এই ধরনের আবেদন, যেখানে দোষী সাব্যস্ত না হয়ে — অর্থাৎ শাস্তির আগে — ক্ষমা চাওয়া হয়েছে, ইজরায়েলের ইতিহাসে বিরল। ফলে শুধুই রাজনৈতিক নয়, আইনগত ও সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এটি চরম সংবেদনশীল।

    নিচে দেখা যাবে — কেন নেতানিয়াহু এই পথ বেছে নিয়েছেন, এবং এর কি-কি সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া হতে পারে পুরো ইজরায়েল এবং আন্তর্জাতিক মহলে।

    কেন ক্ষমা চাওয়া হলো — নেতানিয়াহুর যুক্তি

    • নেতানিয়াহু বলেন, দীর্ঘ চার্জ ও বিচার প্রক্রিয়া (যা ২০১৯ তে শুরু হয়েছিল এবং ২০২০ থেকে বিচারে আছে) চলছে প্রায়৬ বছর এবং আরও বছরের জন্য চলার সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, এই বিচারের ধীরগতি আর নিয়মিত আদালতে হাজিরার দ্বৈরথ ইজরায়েলের শাসন ব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে।
    • নেতানিয়াহু এক ভিডিও ঘোষণায় বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি চেয়েছি বিচার শেষ পর্যন্ত যাক এবং যেটাই ফলাফল হোক, আমি তার মুখোমুখি হব। কিন্তু দেশের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বাস্তবতা – জাতীয় স্বার্থ – যা চায়, সেটাই করতে হবে।” অর্থাৎ, তিনি যুক্তি দিচ্ছেন যে তাঁর বিচার বন্ধ করলে দেশের অভ্যন্তরীণ বিভাজন কমবে এবং ঐক্য ফিরবে।
    • তাঁর দলীয় বক্তব্য — এবং সমর্থকরা বলছেন — এই বিচারকে তারা একটি “রাজনৈতিক-প্ররোচিত অভিযান” হিসেবে দেখেন, যা ক্ষমতাসীন বিরোধীদের অনুসারে গঢ় হয়। অতীতে এমন দাবিও এসেছে যে, মামলা গুলো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের দ্বারা চালানো হচ্ছে।

    এভাবে, নেতানিয়াহু এবং তার আইনজীবীরা এই আবেদনকে উপস্থাপন করছেন “জাতীয় ঐক্য এবং শাসন-কার্যক্রমের স্বচ্ছলতা”-এর প্রয়োজনে — বিচার বা দোষী সাব্যস্তি ছাড়াই শেষ করার উপযোগী একটি বিকল্প হিসেবে।

    আবেদন কীভাবে হলো — প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক পটভূমি

    নেতানিয়াহু ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে একটি আনুষ্ঠানিক পত্র (letter) এবং ১১১ পাতার আইনগত আবেদন (legal submission) রাষ্ট্রপতির দফতরে জমা দিয়েছেন।

    রাষ্ট্রপতির অফিস এই আবেদনকে “অসাধারণ-অনুরোধ (extraordinary request)” বলে উল্লেখ করেছে, এবং জানানো হয়েছে যে তারা বিচারমন্ত্রী, বিচার বিভাগীয় আইনজ্ঞ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামত সংগ্রহ করবে — তারপর রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

    তবে ঘটনাটা শুধু এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আবেদন নয় — একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক সংকটের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কারণ, ইজরায়েলের পুরনো ঐতিহ্য অনুযায়ী, সাধারণত শাস্তি নিশ্চিত হলে বা দোষ স্বীকারির পরই ক্ষমা দানের প্রক্রিয়া চালু হয়। দোষ সাব্যস্তির আগে ক্ষমা চাওয়া, বিশেষ করে রাষ্ট্রপতির পদ ব্যবহারের মাধ্যমে, আগে প্রায়ই হয়নি।

    অতীতে মাত্র একটি মিলছে — ১৯৮৬ সালে নিরাপত্তা সংস্থা (Shin Bet)–র কিছু কর্মকর্তা ক্ষমা পেয়েছিলেন, তবে তাদের দোষ স্বীকার ছিল। বর্তমান দাবিটি সেটির সঙ্গে তুলনীয় নয় বলেই আইনজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছেন।

    এ কারণে, রাষ্ট্রপতি, বিচার বিভাগ ও সর্বচ্চ আদালতের মধ্যে একটি সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে — এবং যে সিদ্ধান্ত আসবে, তা শুধু নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ না বদলে, ইজরায়েলের বিচার ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাও মাত্রায় প্রভাব ফেলবে।

    প্রতিক্রিয়া: সমর্থন ও বিরোধ — দুইদিকেই উত্তেজনা

    নেতানিয়াহুর এই আবেদনকে ঘিরে তৎক্ষণাৎ রাজনৈতিক ধারে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে:

    সমর্থনকারী দৃষ্টিকোণ

    • তাঁর রাজনৈতিক গোষ্ঠী এবং কিছু সমর্থকরা বলছেন, ক্ষমা দিলে দেশের শাসন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চলবে। তারা যুক্তি দিচ্ছেন, যুদ্ধ এবং নিরাপত্তা-মহামান্য সংস্লিষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে, একটি বিভাজিত জাতির জন্য “দ্বন্দ্ব থেকে ঐক্য” ফিরে আসা গুরুত্বপূর্ণ।
    • যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, Donald J. Trump — যিনি সম্প্রতি ছিলেন — তাঁর একটি চিঠির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেছিলেন নেতানিয়াহুর পardon দিতে। Trump ব্যাখ্যা করেছিলেন, এই দিক থেকে বিচার “রাজনৈতিক এবং অন্যায়” এবং সমরূপ ক্ষমা উচিৎ।

    বিরোধী দৃষ্টিকোণ

    • বিরোধীদল এবং বিচার-স্বাধীনতাবাদীরা বলছেন, দোষী সাব্যস্তি ছাড়া ক্ষমা দেওয়া হলে, এটি “আইনের উপরে একজনকে” রাখার বিপজ্জনক precedentস্থাপন করবে। তারা বলছেন, বিচারকে এভাবে র’দ-দিয়ে বন্ধ করার সুযোগ দেওয়া দেশের আইন-শৃঙ্খলার জন্য ভয়ঙ্কর।
    • একজন রাজনীতিক মন্তব্য করেছিলেন, “শুধু দোষীরাই ক্ষমা চায়” — অর্থাৎ, যারা ক্ষমা দাবি করে, তাঁদের আগে দোষ স্বীকার করে হলেও হোক, আদালত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে উচিত।
    • আইনজ্ঞরাও বলেছেন, এই ধরনের ক্ষমা দাবি সাংবিধানিক রুপে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে এবং যদি গৃহীত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে যারা উচ্চপদে — বা ক্ষমতাশীল — Willful যত্ন বা অন্যায়ের জন্য দায়ী হয়, তাঁদের জন্য “ক্লিন স্লেট” নেওয়ার পথ খুলে যাবে।

    এই প্রতিক্রিয়াগুলোর মাধ্যেমে দেখা যাচ্ছে — ইজরায়েল কেবল এক ব্যক্তির বিচার না, বরং তার বিচার ব্যবস্থা ও আগামী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার এক পরীক্ষা-পর্বের মুখোমুখি।

    আইনগত বাস্তবতা ও সম্ভাব্য পরিণতি

    এই আবেদন এবং এর সম্ভাব্য গৃহীতির ক্ষেত্রে আইনগত এবং সাংবিধানিক বেশ কিছু সমস্যার দিকে গুরুত্ব দিতে হচ্ছে:

    • প্রথমত, ইজরায়েলে — এবং সাধারণত পশ্চিমা বিচার ব্যবস্থায় — ক্ষমা (pardon) একটি ক্ষমা-পর্যায়ের প্রক্রিয়া, যা দোষী সাব্যস্তি এবং দণ্ড প্রাপ্তির পর প্রযোজ্য। দোষী সাব্যস্তি ছাড়াই ক্ষমা দেওয়া হলে, সেটা “before conviction pardon” হিসেবে গণ্য হবে — যা গুরুত্বপূর্ণ আইনগত ব্যত্যয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা শুধু বিরল নয়, বরং এমন precedent তৈরি করবে যা ভবিষ্যতে দুর্নীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহারকে উসকে দিতে পারে।
    • দ্বিতীয়ত, যদি ক্ষমা দেয়া হয় — অর্থাৎ বিচার বন্ধ-করা হয় — তাহলে মামলার আসল বিষয় (যেমন ঘুষ, মিডিয়া প্রভাব, রাজনৈতিক প্রভাব) পর্যালোচনা বা পুনর্বিচার হবে না। এর ফলে জনগণের ন্যায়বিচার বিষয়ে বিশ্বাস ক্ষুন্ন হতে পারে।
    • তৃতীয়ত, এমন সিদ্ধান্ত দেশীয় রাজনীতিতে ভয়ানক precedent তৈরি করবে: উচ্চপদে থাকা বা ক্ষমতার দায়িত্বে থাকা কোনো ব্যক্তি যদি অভিযোগ পায়, তাহলে ক্ষমা-প্রক্রিয়া একটি escape route হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারকে উৎসাহ জোগাতে পারে।
    • পাশাপাশি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিচার প্রক্রিয়ার অখণ্ডতা — যা গণতান্ত্রিক মূল্যের একটি ভিত্তি — ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবাও রয়েছে।

    অন্যদিকে, যদি এই আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয় বা সময় নেয়, তাহলে মামলার ন্যায্যতা, দোষ প্রমাণ এবং আদালতের সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবে চলার সুযোগ থাকবে। এর ফলে ইজরায়েলের আইনব্যবস্থা এবং নির্বাচন-রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও স্থিরতা রক্ষা করতে পারে।

    প্রভাব — দেশ এবং আন্তর্জাতিক

    এই সিদ্ধান্ত (ক্ষমা দেওয়া বা না দেওয়া) শুধুই নেতানিয়াহু বা তাঁর একক ভবিষ্যৎ সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর প্রভাব হবে:

    • ইজরায়েলি রাজনীতি: ক্ষমা দিলে নেতানিয়াহু আবার ক্ষমতায় থেকেও যেতে পারে — যা বিরোধীদের জন্য গৃহীত নয়, কারণ তারা বলছেন, এটি গণতন্ত্র এবং আইনশৃঙ্খলার প্রতি বিশ্বাসকে বিপন্ন করবে। সংস্কারপ্রত্যাশীরা দেখা দিতে পারে, কিন্তু একই সঙ্গে অনেকেই বলে আইন এবং ন্যায়ের উপরে রাজনৈতিক দৌড়।
    • আইন এবং বিচার ব্যবস্থায়: যদি precedent তৈরি হয়, ভবিষ্যতে ক্ষমতাসীন বা সাবেক নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অনিয়ম মামলায় দমন ও হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত হবে।
    • আন্তর্জাতিক দৃশ্য: বিদেশসহ ঐতিহাসিকভাবে পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলো (যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ) বিচার-স্বাধীনতা, সমাজে আইন এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্ব দেয়। যদি এই ধরনের ক্ষমা গৃহীত হয়, তবে ইজরায়েলের প্রতি আন্তর্জাতিক বিশ্বাস এবং তার মিত্র দেশের সঙ্গে সম্পর্কেই প্রশ্ন ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
    • সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক: সাধারণ মানুষের ন্যায়, প্রতিবাদ ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণে ক্ষুণ্নতা দেখা দিতে পারে; যে সমাজ আইন মানে, সেখানে “উচ্চপদে থাকা = ন্যায়বিচার থেকে অব্যাহতি” এমন বার্তা যাবে।


    নেতানিয়াহুর রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়া আবেদন শুধু একটি “ব্যক্তিগত দোষ-মামলা” নয়। এটি একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক, আইনগত এবং সাংবিধানিক মুহূর্ত — যা ইজরায়েলের ভবিষ্যতকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে যাচাই করবে।

    যদি ক্ষমা granted হয়, তাহলে সেটা হবে বিচার ব্যবস্থার ও গণতন্ত্রের জন্য একটি বৃহৎ পতন; কারণ দোষী সাব্যস্তি ছাড়া ক্ষমা দেওয়া মানে হবে “উচ্চপদে থাকা = অপরাধের immunity”। অন্যদিকে, যদি আবেদন বাতিল হয় বা বিচার পুরোপুরি চালিয়ে নেয়া হয়, তাহলে ইজরায়েলে আইন, ন্যায়, এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন হবে।

    বর্তমানে, রাষ্ট্রপতির অফিস এবং আইন বিভাগ গঠন করে সময় নিচ্ছে। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ বা মাসে কি সিদ্ধান্ত আসবে — সেটাই দেখার। তবে একথা নিশ্চিত যে — এই সিদ্ধান্তের প্রভাব ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, এবং ইজরায়েলের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভবিষ্যৎ বারবার নতুন মোড় নিতে পারে।

    Watch Video

    Related Posts

    View All
    চীনের হস্তক্ষেপে থেমে গেল Meta–Manus চুক্তি: AI দখলের বৈশ্বিক লড়াইয়ে নতুন উত্তাপ

    চীনের হস্তক্ষেপে থেমে গেল Meta–Manus চুক্তি: AI দখলের বৈশ্বিক লড়াইয়ে নতুন উত্তাপ

    চীনের কঠোর হস্তক্ষেপে থেমে গেল Meta Platforms-এর ২ বিলিয়ন ডলারের AI স্টার্টআপ Manus অধিগ্রহণ পরিকল্পনা। এই সিদ্ধান্ত শুধু একটি ব্যবসায়িক চুক্তি বাতিল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে চলমান AI আধিপত্যের লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

    April 27, 2026
    চলতি সপ্তাহেই আবার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান: ব্যর্থ বৈঠকের পর নতুন আশার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    চলতি সপ্তাহেই আবার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান: ব্যর্থ বৈঠকের পর নতুন আশার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    ব্যর্থ প্রথম দফা আলোচনার পর আবারও মুখোমুখি বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ট্রাম্পের ইঙ্গিতে বাড়ছে কূটনৈতিক উত্তেজনা, বিশ্ব তাকিয়ে নতুন সমঝোতার দিকে।

    April 16, 2026
    ইসলামাবাদে ইউএস–ইরান উচ্চপর্যায়ের আলোচনা: যুদ্ধের উত্তেজনার মাঝে কি আসছে শান্তির নতুন পথ?

    ইসলামাবাদে ইউএস–ইরান উচ্চপর্যায়ের আলোচনা: যুদ্ধের উত্তেজনার মাঝে কি আসছে শান্তির নতুন পথ?

    ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমানোর সম্ভাব্য পথ খোঁজা হবে। তবে গভীর অবিশ্বাস, লেবানন ইস্যু এবং ইউরেনিয়াম সংকট এই সংলাপকে জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি শান্তির দিকে একটি ছোট পদক্ষেপ হলেও বড় সমঝোতা এখনো অনিশ্চিত।

    April 10, 2026
    চীনের হস্তক্ষেপে থেমে গেল Meta–Manus চুক্তি: AI দখলের বৈশ্বিক লড়াইয়ে নতুন উত্তাপ
    Latest
    আন্তর্জাতিক

    চীনের হস্তক্ষেপে থেমে গেল Meta–Manus চুক্তি: AI দখলের বৈশ্বিক লড়াইয়ে নতুন উত্তাপ

    April 27, 2026

    Popular Posts

    1

    গাজা যুদ্ধবিরতির গোপন চাল! মিয়ামিতে কাতার–মিশর–তুরস্কের সঙ্গে ওয়িটকফের জরুরি বৈঠক | High-Stakes Gaza Talks: US Envoy Witkoff Meets Qatar, Egypt and Turkey in Miami

    57,329
    গাজা যুদ্ধবিরতির গোপন চাল! মিয়ামিতে কাতার–মিশর–তুরস্কের সঙ্গে ওয়িটকফের জরুরি বৈঠক | High-Stakes Gaza Talks: US Envoy Witkoff Meets Qatar, Egypt and Turkey in Miami
    2

    অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাঁপানো সিদ্ধান্ত! 🚫🇦🇺 ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ | Australia’s Bold Move: World-First Social Media Ban for Under-16s Sparks Global Shockwave 🚫📱

    22,930
    অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাঁপানো সিদ্ধান্ত! 🚫🇦🇺 ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ | Australia’s Bold Move: World-First Social Media Ban for Under-16s Sparks Global Shockwave 🚫📱
    3

    “One Battle After Another” এগিয়ে: ২০২৫ Golden Globe–এ ৯টি মনোনয়ন! | "One Battle After Another" leads the way! Receives major nominations for the 2025 Golden Globes

    22,678
    “One Battle After Another” এগিয়ে: ২০২৫ Golden Globe–এ ৯টি মনোনয়ন! | "One Battle After Another" leads the way! Receives major nominations for the 2025 Golden Globes
    4

    💥 ইজিপ্ট–ইরানের ক্ষোভে উত্তাল বিশ্বকাপ—প্রাইড ম্যাচ কি বাতিল হবে? | World Cup 2026 Shock: Egypt & Iran Protest Seattle ‘Pride Match’ — FIFA Under Pressure

    22,529
    💥 ইজিপ্ট–ইরানের ক্ষোভে উত্তাল বিশ্বকাপ—প্রাইড ম্যাচ কি বাতিল হবে? | World Cup 2026 Shock: Egypt & Iran Protest Seattle ‘Pride Match’ — FIFA Under Pressure
    5

    বেগম রোকেয়ার ৩৫০ বিঘা জমি কোথায় হারাল? ৯৩ বছর পরও কেন উদ্ধার হলো না? | Where Did Begum Rokeya’s 350 Bighas of Land Go? Why It Still Remains Unrecovered After 93 Years!

    21,780
    বেগম রোকেয়ার ৩৫০ বিঘা জমি কোথায় হারাল? ৯৩ বছর পরও কেন উদ্ধার হলো না? | Where Did Begum Rokeya’s 350 Bighas of Land Go? Why It Still Remains Unrecovered After 93 Years!

    Recent Updates

    চলতি সপ্তাহেই আবার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান: ব্যর্থ বৈঠকের পর নতুন আশার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
    আন্তর্জাতিক

    চলতি সপ্তাহেই আবার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান: ব্যর্থ বৈঠকের পর নতুন আশার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    April 16, 2026
    ইসলামাবাদে ইউএস–ইরান উচ্চপর্যায়ের আলোচনা: যুদ্ধের উত্তেজনার মাঝে কি আসছে শান্তির নতুন পথ?
    আন্তর্জাতিক

    ইসলামাবাদে ইউএস–ইরান উচ্চপর্যায়ের আলোচনা: যুদ্ধের উত্তেজনার মাঝে কি আসছে শান্তির নতুন পথ?

    April 10, 2026
    🚨 ৩ মাসেই ধ্বংস আমেরিকা? ইরান যুদ্ধেই ট্রাম্পের পরাজয়ে ভেঙে পড়বে অর্থনীতি? | Ajkerbishshow
    আন্তর্জাতিক

    🚨 ৩ মাসেই ধ্বংস আমেরিকা? ইরান যুদ্ধেই ট্রাম্পের পরাজয়ে ভেঙে পড়বে অর্থনীতি? | Ajkerbishshow

    April 3, 2026
    বিটকয়েনের দাম কি সত্যিই $0 হবে? শূন্য–ডলার ন্যারেটিভ কেন শক্তিশালী হচ্ছে
    অর্থনীতি

    বিটকয়েনের দাম কি সত্যিই $0 হবে? শূন্য–ডলার ন্যারেটিভ কেন শক্তিশালী হচ্ছে

    February 9, 2026

    Stay Updated!

    Get the latest news delivered to your inbox

    Follow Us

    FacebookYouTubeXInstagram